গোপাল সাহার তত্ত্বাবধানে সুস্থভাবে তর্পণ করলেন মহেশতলার বাসিন্দারা
মহালয়া হলো পিতৃপক্ষ এবং দেবীপক্ষের সন্ধিক্ষণ।এর মাধ্যমে দুর্গাপূজা উৎসবের সূচনা হয়। দেবী দুর্গা এই দিন পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। বাঙালি হিন্দুরা ঐতিহ্যগতভাবে দেবীমাহাত্ম্যম্ শাস্ত্র থেকে স্তোত্র পাঠ করতে মহালয়ার দিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে। মহিষাসুরমর্দিনী নামে পরিচিত গান এবং মন্ত্রগুলির শোনার জন্য প্রত্যেক বাঙালি পরিবার ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে। এটি দেবী দুর্গার জন্ম এবং অসুর রাজা মহিষাসুরের উপর তাঁর চূড়ান্ত বিজয়ের বর্ণনা দেয়। পিতৃপক্ষে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করে 'জলদান' বা তর্পণ করা হয় এবং পরলোকগত পূর্বপুরুষদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। এটি পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, ত্রিপুরা এবং আসামের বারাক উপত্যকায় আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষ অমাবস্যা তিথিতে পালন করা হয়।
আর তাই প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও মহালয়ার দিন বাটা কঙ্কা খাটি মহালয়ার মহাপ্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন মহেশতলা পৌরসভা ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা গোপাল সাহা।
মায়ের চক্ষুদান আগত স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য গঙ্গায় তর্পনের সুব্যবস্থা নিরাপত্তা ব্যবস্থা তার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সেই কাক ভোর থেকেই পোলাও, আলুর দম,লুচি, পায়েস, ভোজনের আয়োজন করেন এবং সমস্ত কিছু দাঁড়িয়ে থেকে দেখ ভালো করেন পৌরপিতা গোপাল সাহা।
আজ প্রায়ই ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ এই বাটা গঙ্গা ঘাটে তর্পণ করতে আসেন এবং ভোগ গ্রহণ। ভোর পাঁচটার সময়েই চোখে পড়েছিল সেই ভিড়ের ছবি। ২৬ ২৯ ৩১ ৩৩ ৩৪ ৩৫ এই ছয়টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আজ বাটা গঙ্গা ঘাটে এসে একত্রিত হন আর আমরা সকলেই জানি এই ছটি ওয়ার্ডের পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন গোপাল সাহা।